[সেরা] 13 বসন্তের কবিতা | poems on Spring in bengali | Images

Hey Guys,

Today we are introducing the best poems on Spring in Bengali. some poems are written in Marathi and English language I am translating them in the Bengali language for you guys.

If you find something wrong with wording or spelling mistakes please inform us in the Comments. I wish you like it.

In Bengali

হে বন্ধুরা,

আজ আমরা বাংলায় বসন্তের সেরা কবিতা উপস্থাপন করছি। কিছু কবিতা মারাঠি এবং ইংরেজি ভাষায় লেখা, আমি সেগুলো বাংলায় অনুবাদ করছি আপনাদের জন্য।

আপনি যদি শব্দ বা বানান ভুলের সাথে কিছু ভুল খুঁজে পান তবে দয়া করে মন্তব্যে আমাদের জানান। আমি চাই আপনি এটা পছন্দ.

Bengali spring poems বসন্তের কবিতা
Source

বসন্তের কবিতা

বিপদ আবার ডাক দিয়েছে, দমকা বাতাস… আলগা বোতাম…বসন্তকে সাক্ষী রেখে আজ যদি ফের সঙ্গী হতাম?

একখানা দিন ওলোট পালট, একখানা বেশ ঝাপটা বিকেলপাগল হওয়া বিশুই কেবল সামলে রাখে নন্দিনীকে।

যা ইচ্ছে তাই বলুক লোকে, নিন্দুকে আর কী না রটায়অনামী সেই বাস স্টপেজে দেখা হবেই পৌনে ছ’টায়।

একটু হাঁটা, একটু চলা, একটু বসা পাড়ার রোয়াক…মিথ্যে একটা আঙুল তোমার কপালে আজ সত্যি ছোঁয়াক।

এই দেখা তো মুহূর্ত নয়, অন্যরকম অনন্তকালমাথার মধ্যে গুমরে মরে পাগলা হাওয়ার একলা পোকা।

ফিরবে তুমি ভিড় বাসে আর আমার ফেরা চুপবালিশেচোখের পাতা কমল কি না, কে আর অত রাখছে হিসেব…

কেবল তোমার ফুলের মালা, রাজার দিকে সপাট জেহাদ –যুগ পেরিয়ে আরেকটিবার আমার হাতে দিও সে হাত…

হাতের রেখায় থাকবে জানি মাইলফলক, সরাইখানা…কৃষ্ণচূড়ার ছোট্ট চিঠি, রাধাচূড়ার বলতে মানা

বিপদ আসুক, লাগুক বাতাস, ছুটুক সময় তোমার দিকে

পাগল হওয়া বিশুই জেনো আগলে রাখে নন্দিনীকে!

-বিশু পাগলের

[Poems of Bishu Pagal ]

Danger has called again, the gust of wind… the loose button what if I were a companion again today, witnessing the spring?

One day, a reversal , one after another jerk, in the afternoon , Bishui, who was mad, only managed Nandini.

Let people say whatever they want, Nindu will be seen at the bus stop at half past six. A little walk, a little walk, a little sitting royak…

a finger on your forehead is really touching today. This is not a moment to be seen, otherwise a lone insect of mad air dying in the head of eternity .

You will return to the crowded bus and my return will be silent or not, who cares .

Just your garland of flowers, flat jihad towards the king – give me that hand once again after the age is over.

I know there will be milestones in the palm of your hand, inns… short letters from Krishnachura Let danger come, let there be wind, when you run away, Bishui, who is mad at you, keeps Nandini at bay!

[আমার বসন্ত – নির্মলেন্দু গুণ ]

এ না হলে বসন্ত কিসের? দোলা চাই অভ্যন্তরে,

মনের ভিতর জুড়ে আরো এক মনের মর্মর,পাতা ঝরা, স্বচক্ষে স্বকর্ণে দেখা চাঁদ, জ্যোৎস্নাময়রাতের উল্লাসে কালো বিষ । এ না হলে বসন্ত কিসের ?

গাছের জরায়ু ছিঁড়ে বেরিয়েছে অপিচ্ছিল বোধ,ওর মুখে কুমারীর খুন, প্রসূতির প্রসন্ন প্রসূন ।কন্ঠ ভরে করি পান পরিপূর্ণ সে-পাত্র বিষের,চাই পূর্ণ শিশিরে নির্ঘুম । এ না হলে বসন্ত কিসের?

My spring – Nirmalendu Guna

If not, what is spring? I want to swing inside,

one more murmur of the mind, the fall of theleaves, the moon seen with the nakedeye, the black poison in the joy of the moonlit night. If not, what is spring?

The uterus of the tree has been torn off and an unpleasant feeling has come out.I fill my voice and drink the potfull of poison, I want to sleep in the full dew. If not, what is spring?

বসন্ত বন্দনা – নির্মলেন্দু গুণ

হয়তো ফুটেনি ফুল রবীন্দ্র-সঙ্গীতে যতো আছে,হয়তো গাহেনি পাখি অন্তর উদাস করা সুরেবনের কুসুমগুলি ঘিরে । আকাশে মেলিয়া আঁখিতবুও ফুটেছে জবা,–দূরন্ত শিমুল গাছে গাছে,তার তলে ভালোবেসে বসে আছে বসন্তপথিক ।

এলিয়ে পড়েছে হাওয়া, ত্বকে কী চঞ্চল শিহরণ,মন যেন দুপুরের ঘূর্ণি-পাওয়া পাতা, ভালোবেসেঅনন্ত সঙ্গীত স্রোতে পাক খেয়ে মৃত্তিকার বুকেনিমজ্জিত হতে চায় । হায় কী আনন্দ জাগানিয়া ।

এমন আগ্রাসী ঋতু থেকে যতোই ফেরাই চোখ,যতোই এড়াতে চাই তাকে দেখি সে অনতিক্রম্য ।বসন্ত কবির মতো রচে তার রম্য কাব্য খানিনবীন পল্ববে, ফুলে ফুলে । বুঝি আমাকেও শেষেগিলেছে এ খল-নারী আপাদমস্তক ভালোবেসে ।

আমি তাই লঘুচালে বন্দিলাম স্বরুপ তাহার,সহজ অক্ষরবৃত্তে বাঙলার বসন্ত বাহার ।

Spring worship – Nirmalendu Guna

maybe Gaheni birdssurround the blossoms of the forest in a bored tune . Look eye in the sky, even bringing Joba, duranta Simul tree,he loved sitting basantapathika under.

The wind is blowing, what a shivering vibration on the skin, themind is like a whirling leaf of the afternoon, the love wants to be immersed in the bosom of theearth by twisting in the stream of eternal music. Alas, what a joy.

No matter how much I look away from such an aggressive season,no matter how much I try to avoid it, I see him is insurmountable.Like a spring poet, his delightful poems willsoon blossom and blossom. I understand thatthis woman has swallowed me in the end with love from head to toe.

So I was captivated by the lightness of his form, thesimple spring of the Bengali spring.

একা – বীথি চট্টোপাধ্যায়

আমার চোখে বসন্ত দারুণ চৈত্রমাসচতুর্দিকে শিমূল-পলাশ কৃষ্ণচূড়ার ত্রাস।

ঝড় উঠেছে নিখুঁত কালো বৃষ্টি ভেজা রাতআঁচল দিয়ে দুঃখ ঢাকি কোথায় তোমার হাত ?

তব্ধ যদি ভালোবাসা প্রেমের-কম্পনফিরিয়ে দাও কিশোরীকাল প্রথম চুম্বন।

ভালোবাসার আগুন ঝড়ে চাইনি কোনো দামঅশ্রুবিহীন চক্ষু হল প্রেমের পরিণাম।

এই সময়েই ভিন্ন হলে এমন চৈত্রমাসভালোবাসার ফুটছে কলি, ফাল্গুন বাতাস!

এই যে চোখ এই যে প্রেম, এই যে হা-হুতাশএই বসন্তে দেবো কাকে প্রেমের আস্বাস ?

আমার চোখে বসন্ত দারুণ চৈত্রমাসভালোবাসা বাসার পরে, ভাঙলে বিশ্বাস!

Alone – Bithi Chatterjee

In my eyes, the great spring is around Chaitramas, the terror of Shimul-Palash Krishnacura.

The storm has risen. Perfect black rain. Wet night. Where is your hand?

If you love, give back the vibration of love, the first kiss of adolescence. Tears without love are the result of love.

If it is different at this time, the love of Chaitramas is blossoming, Falgun wind!

This is the eye, this is the love, this is the ha-hutash, who will I give the breath of love to this spring?

In my eyes, spring is a great four-month love after home, faith to break!

থেকো, বসন্তসন্ধ্যায়… – সুব্রত পাল

॥ ১ ॥যদি বসন্ত পলাশ খোঁজে, খুঁজুক। তুমি খুঁজো নারাঙামাটির পথে হাঁটতে ইচ্ছে করলে, হেঁটো নাশুধু আমাকে খুঁজো

আমি তো দুরন্ত ফাল্গুন গোটা গায়ে মেখেতোমার জন্য বসে আছিমনে মনে মাদল বাজাচ্ছি আরগোধূলির রঙ দেখছি দিগন্তে

যদি বসন্ত তোমাকে ডাকে, ডাকুক। তুমি যেয়ো নাআঙুল ছুঁতে ইচ্ছে করলে, ছুঁয়ো না। কথা বোলো নাশুধু আমাকে ছুঁয়ো

আমি তো পাতায় পাতায় লুকিয়ে রেখেছিসব ঢেউ, দ্বীপ, দ্বীপপুঞ্জ

গহন অরণ্য হয়েছিকুয়াশায় সেজেছি কখনো

তবু যদি বসন্ত আসে তোমার কৃষ্ণচূড়া ডালেআর কোকিল ডাকে, তবে অপেক্ষা কোরো।আমি আবির নিয়ে আসছি, থেকো…

॥ ২ ॥নিজেকে দেখাতে গিয়ে শুধু তোমাকেই দেখছি

এই বসন্তসন্ধ্যায়সমস্ত আড়াল, অভিমান, সমস্ত সীমারেখাউপেক্ষা করে আজ তোমারই সামনে এসেছি

এই আনমনা মন, মনের ভেতর তরঙ্গএই ভ্রূভঙ্গি, এই ঠোঁটের উচ্চারণসব যদি আলাদা মনে হয়এসো, তাহলে স্পর্শে বুঝি দুরন্ত অস্থিরতা

এসো, ক্রমাগত আঁকড়ে ধরিআর ক্রমাগতই বাঁচার চেষ্টা করি

হে আমার কাঙ্খিত প্রেমআগে তো বলো নি কখনোভালোবাসায় এত কষ্ট থাকেএত আলোড়ন, এত নিঃসঙ্গতা

কখনো কিছু তো বুঝে নিওকিছু অনুচ্চারিত শব্দ, কিছু সমুদ্র ফেনায়ছিটেফোঁটা যন্ত্রণা, বুঝে নিও

আজ পূর্ণিমা নাকি অমাবস্যাআকাশে চাঁদ আছে কি নেই, কিচ্ছু জানি না আমিশুধু বসন্ত জানি আর জানি তোমাকেতাই তো তোমারই সামনে এসেছিতোমাকেই দেখছিদেখছি ভরসার মত করে, কান্নার মত করেস্পর্ধার মত করে, ইচ্ছের মত করেশুধু তোমাকেই দেখছি

অথচ আমি নিজেকেই দেখাতে এসেছিলাম

এই বসন্তসন্ধ্যায়।

Theko, spring evening… – Subrata Pal

॥ If spring is looking for Palash, let’s find it. If you want to walk on the way to Narangamati, just look for me

I am Duronta Falgun, I am sitting for you all over my body, I am playing Madal in my mind, I am watching the color of Argodhuli on the horizon.

If spring calls you, call. If you want to touch your finger, don’t touch it. Talk about rubbing salt in my wounds – d’oh!

I have hidden all the waves, islands, islands in the leaves

I have never dreamed of a deep forest

However, if spring comes and your black-crowned Dalear cuckoo calls, then wait. I am bringing Abir, stay.

॥ When I go to show myself, I see only you

This spring evening, I have come before you today, over all the hidden, arrogant, all the boundaries.

This anxious mind, this wave in the mind, this eyebrow, if the utterances of this lip all seem different, then you can feel the instability by touching.

Come on, let’s just hold on and try to survive

O my long-awaited love, never before has there been so much trouble in love, so much excitement, so much loneliness.

Sometimes understand some unspoken words, some sea foam chitaphonta pain, understand

I don’t know if there is a full moon or a new moon in the sky today.

But I came to show myself

This spring evening.

আমার শহরঃ বসন্তের প্রেম – প্রদীপ বালা

বসন্ত তবে এসেই গেল, বুঝলে ভায়া! একটা কুকুর শুঁকছে আমার পায়ের ধুলো চমকে উঠে পেছনে দেখি, কি বেহায়া! আমার হাতে আধখানা রোল, ঝুলছে নুলো

ছ’টা পঁচিশ, পেটে তখন ছুঁচোর সেকি লাফ বসন্ত যদি এসেই থাকে তোর বাপের কি ছুটছে সবাই বাস ধরবে ট্রেন ধরবে উল্টোডাঙ্গার মোড়ে শুধু আমি একাকী…

কী আর হবে বসন্ত এলে,ভিক্টোরিয়া ময়দান আর পার্কে শুধু ভীড় বাড়বে শীতে দেখিয়ে খেত সবাই,এখন মুখ লুকোবে ছাতার তলায়।

আমারও সময়,বাস ছাড়বে। ছিল না কি বসন্ত আমারও,একটা দুটো… ছাতার তলায় ঘন হয়ে বসে পৃথিবীতে মুখ উত্তাপে আর উত্তাপে তোর বুকে ঘাম আর ঘ্রাণের ভেতর খুঁজিনি প্রেমের সুখ ?

তবুও তো প্রেম এলো না,তার বদলে একতাল মাংস এল উঠে,চিকেন কষা কপাৎ করে গিলে ফেলে দেখি তোকে কোমরে বেশ মেদ জমেছে,বাসের সীটে বসা।

ধুস শালা! বাস ছুটে যায় ধুলোর বেগে হাজার হাজার ধুলো তখন প্রেমের খেলা খেলতে থাকে, হাতে হাত রেখে সবাই পার হয়ে যায় রাস্তা ঘাটএই বেলা

আমিই শুধু দাঁড়িয়ে থাকি, ভীড়ের ভেতর ছুটোছুটি যন্ত্রমানব,বসন্ত এসে গেছে সময় এসে লাথ মারে পেছনে, “ভাগ শালা সময় নেই প্রেম মারাতে গেছে!”

হটাত করেই বাসটা এসে গেল আমারও তখন ঘরে ফেরার তাড়া বাসের ধোঁয়ায় উড়িয়ে নিয়ে গেল তোমার আমার চোখের ইশারা

সে ইশারার একটুখানি রেশ বুকের ভেতর সযত্নে রাখি, হটাত হটাত ঠোকর মেরে ফেরে বাসে উঠে বসন্তকে পেছনে ফেলে দেখি আধখানা প্রেম ঝুলে আছে উল্টোডাঙ্গার মোড়ে!

দেখ এখন বসন্ত।

তোমার সাথে মাঠে সবুজ এনেছি।

কৃষকদের মনে আনন্দ বিরাজ করছে।

প্রতিটি ঘরেই সবুজের সমারোহ।

বসন্তে সবুজ আসে।

গ্রীষ্মে সবুজ হারিয়ে যায়।

আমাদের সবুজ আলো দেয়।

এই চক্র চলতে থাকে। না, কেউ আঘাত পায় না।

দেখ এখন বসন্ত

বসন্ত এসেছে, বসন্ত এসেছে, বিশ্ব গৌরবে ভরপুর। ক্ষেতে সরিষার ফুল ফুটেছে, আমের দোলনায় নতুন ফুল ফুটেছে মুহূর্তে, শরতের শেষ এলো বসন্ত এলো বসন্ত।

সুগন্ধে বাতাস বইছে, সবুজের সমারোহ, সুন্দর লাগছে, বাড়িটি উঠান , আজ সবই মিষ্টি, দৈত্য এসেছে, বসন্ত এসেছে।

ভাউরোস একটি নতুন সঙ্গীত গেয়েছে, নাইটিঙ্গেল কুহুকে তিরস্কার করছে , সমস্ত জীবের সুখী জীবন, এই সুখের আর শেষ না হোক

অ্যায় বসন্ত হার জুবা পে হ্যায়, এই গল্পটি বিরাজ করছে। এলো বসন্তের ঋতু, মাস্তানি। হৃদয় ছুঁয়ে যাক বাতাসের শীতল হাওয়া।

মিষ্টি রোদে গায়ের রঙ ঝলমল করুক। বড়দের দল গেয়েছে। এলো বসন্তের ঋতু, মাস্তানি। পাখিরা কোকিল গাইত। সূর্যের রশ্মি হাসতে হাসতে মাটিকে স্নান করে। উভয় সময়ের সময় আধ্যাত্মিক হতে থাকে।

এলো বসন্তের ঋতু, মাস্তানি। তারারা রাতের আনন্দে মিটমিট করে। দুধের আলো হলুদ ফসলকে স্নান করে। পুরান ভাবে গাই। এলো বসন্তের ঋতু, মাস্তানি।

– উৎপল পাঠক

বসন্ত এলো , বসন্তের খেলায় মানায় চড়ুই সরিষার চুলে রাখি মধুমতির গন্ধ উঠলো আমওয়া কথা বলে কুঁজো হয়ে গেল অমৃতের ঢালু কথা কয়লিয়া…

বসন্ত এলো বসন্ত, এলো নতুন-নতুন রং এলো হৃদয়ের কাছে মধুচন্দ্রিমা আবার চোখের জলে যমুনা তীরে ঢেঁকি খেলা ছলনা…

এলো বসন্ত বসন্ত ঢেকে গেল মজার রঙে ভরা দুই ঋতু ফুলের ভুবনে ফুলের গানে পূর্ণ প্রেমের জন্য আলমের চোখে প্রেমের উচ্ছ্বাস ছিল রাধা হাইপার পিলিয়া… ভালো আছে আসো বসন্ত বসন্ত

– কাঞ্চন পান্ডে

তুমি ফালগুন

সাইফুল

ফাগুন যে এসেছে ধরায়বসন্তের আহবানেফুল কলিরা দুলছে দেখহাওয়ায় নেচে গেয়ে ।

ফাগুন যে এসেছে ধরায়শীত গেল তাই চলেকোকিল পাখি ডাকছে দেখকুহু কুহু বলে ।

ফাগুন যে এসেছে ধরায়হলুদ গাধার ভীরেরমণী রা আজ সাজছে দেখফুল মালঞ্চ দিয়ে ।

বসন্ত এলো যে ধরায়উদাসি কোকিলের সুর মন ভরায়,কৃষ্ণচূড়ায় রাজপথ সাজেসঙ্গীতের কলতান কানে বাজে।

মদন দেবের আশীর্বাদআবির রাঙ্গা চারিপাশ,বউ কথা কও পাখি ডাকেছেলে বুড়ে সব আনন্দে মাতে।

ভ্রমরায় দল বেধে চলেফুল ফোটে কাননে কাননে,বৃক্ষে নতুন পত্র-পল্লব জাগেসবকিছু অপরূপ লাগে।

শীতের আমেজ মুছে যায়প্রকৃতির রঙ্গিন সজ্জায়,এতসব নতুনের ভিড়েরুক্ষতা কাটে ধীরে ধীরে।

নজরুল-রবি বন্দনা করছে যায়সকল অঞ্জলি এখনও শুধু যে তারবসন্তকে করিতে বরন-পথে-প্রান্তরে চলে মহারন।

Thanks! Please Give Your Feedback..

Leave a Comment